পোস্টগুলি

স্কুলের দেয়ালেও শিক্ষা।

ছবি
  সিলেটের রিকাবীবাজার পয়েন্টে পুলিশ লাইন উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের পাশ দিয়ে চলার পথে চোখ পরবে দেয়ালে। সেখানে লেখা রয়েছে বেশ কিছু উক্তি। কোনোটাতে লেখা রয়েছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উক্তি- ‘আমলা নয়, মানুষ সৃষ্টি করুন।’ মোবাইলে ধারণকৃত আবার কোনোটাতে জন লিভগেটের উক্তি- ‘যে নদীর গভীরতা বেশি, তার বয়ে যাওয়ার শব্দ কম’। অন্য একটি ছবিতে লেখা আছে, একটি সংগৃহীত বাণী- ‘এদেশের শিক্ষাকে রাজনীতি মুক্ত করা না গেলেও, রাজনীতিকে শিক্ষা মুক্ত করা গিয়েছে।’   পুলিশ লাইন উচ্চ বিদ্যালয় ছাড়াও মদন মোহন কলেজ, বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, দি এইডেড হাই স্কুল এন্ড কলেজ, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুল, ব্লু বার্ড স্কুল এন্ড কলেজ, হাজেল আল-জামিয়া স্কুল এন্ড কলেজ সহ, আরও কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনের দেয়ালজুড়ে নানা মনীষীর বাণী লেখা রয়েছে। এই লেখাগুলো কতোটা ছেলেমেয়েদের মাঝে প্রভাব বিস্তার করে? এই বিষয়ে জানতে চাইলে  ব্লু বার্ড স্কুল এন্ড কলেজ এর সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী সাদিয়া আফরিন বলেন, রাস্তা দিয়ে আসা-যাওয়ার সময় দেয়ালে এই লেখাগুলো পড়েছি। এগু...

কিশোর অপরাধ রোধে সমাজের দায়িত্ব

ছবি
  কিশোর অপরাধ প্রতিকারে ইসলামের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যমণ্ডিত। সঠিক পন্থায় শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশ না হওয়ার কারণেই মূলত কিশোর অপরাধ সংঘটিত হয়। এ ছাড়াও যে সব কারণে এই ব্যাধির সৃষ্টি হয়, যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে কিশোর অপরাধ প্রতিকার করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ইসলাম সর্বজনস্বীকৃত প্রতিরোধমূলক ও সংশোধনমূলক ব্যবস্থা প্রয়োগের মাধ্যমে তা প্রতিকার করেছে। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় ইসলাম বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। আর সংশোধনমূলক ব্যবস্থায় নিয়েছে বাস্তবসম্মত নানা পদক্ষেপ। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা বলতে বুঝায় শিশু-কিশোরদের মধ্যে যাতে প্রথম থেকেই অপরাধ প্রবণতার সৃষ্টি না হয়, তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা অবলম্বন করা। যেসব কারণে শিশু-কিশোরদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা দেখা দেয়, সেগুলোকে আগে থেকে দূর করাই এ পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। মানবজীবন কতগুলো স্তর বা ধাপের সমষ্টি। জীবন পরিক্রমায় এই স্তর বা ধাপ অতিক্রম করে অগ্রসর হতে হয়। শিশু-কিশোরদের জীবন-প্রকৃতি বড়দের থেকে আলাদা। তাদের চাহিদা এবং বিকাশকালীন প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধাও ভিন্নতর। বিধায় পরিবেশ পরিস্থিতি শিকার হয়ে ...

প্রসঙ্গ:প্রবাসীর ঈদ

 ঈদ মানে খুশি ঈদ মানে আনন্দ। এই কথা সবাই মানলেও প্রবাসীদের জীবনে এই কথারবাস্তবতা খুজে পাওয়া মুশকিল। প্রবাসীদের ঈদটা একটু অন্য রকম। প্রবাসেঅনেকেই আছেন যাদের জন্য ঈদের দিনটা অত্যান্ত কষ্টের। মুসলমানদের জন্যসবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে ঈদ। এই ঈদকে নিয়ে বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন আশাআকাংখা আর প্রস্তুতির কমতি থাকেনা। ঈদ আসে ঈদ যায় কিন্তু প্রবাসীশ্রমিকদের কষ্ট এতটুকুও কমেনা। ফজরের আযানের পর দল বেধে ছুটা-ছুটি,দলবেধে পুকুরে ঘোসল শেষ করে সামান্যমিষ্টি মুখ করে নতুন জামা কাপড় পরে ঈদগাহ মাঠে যাওয়া এখন শুধুই স্মৃতি। এখনআর নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় পাশের বাড়ির কেউ ঢাক দিয়ে বলেনা  সেমাই খেয়েযাও। এখন আর নতুন জামা পরে সালাম করলে কেউ নতুন টাকার নোটগুলো হাতে উঠিয়েদেয়না। এসবের একটাই কারন  আর তা হলো আমি এখন বাংলাদেশ থেকে অনেক অনেক দুরে।সৌদি আরবের মরু প্রান্তরে। হে আজ কথা বলছিলাম আমারই  পাড়ার বড় ভাই তানভীর আহমেদএর সাথে তুলে ধরেছি তার কিছু কষ্টের কথা। এখানে ঈদ মানে শুন্যতা, ঈদ মানে না পাওয়ার কষ্ট। পবিবার পরিজন ছাড়া ঈদ যেকত কষ্ট তা একমাত্র প্রবাসীরাই বুঝে। সকাল হলেই ঈদ এখনো আছি ডিউটিতে। শেষরাতে ঘ...

স্বৈরাচার এবং বাংলাদেশ!

জীবনে যখন প্রথম নিজেকে বুঝতে পারা শুধু রাজনীতি সমাজ সামাজিক ব্যবস্থা পাঠ্য দান শিক্ষা বুঝতে শুরু করি তখন নাম শুনেছিলাম স্বৈরশাসন। ছোটবেলা থেকে থেকে শুনে আসছি এরশাদ নাকি ছিল স্বৈরাচারী শাসক। কিছুদিন আগ থেকে স্বৈরাচার নিয়ে আমার মনে কিছু প্রশ্ন জাগিয়েছে। কারণ ছোটবেলায় পাঠ্যবইয়ে সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের মধ্যে সমাজ, রাষ্ট্র, শাসন ব্যবস্থা নিয়ে পড়েছিলাম তখন আমরা স্বৈরশাসন এবং স্বৈরাচার এর সংজ্ঞা শিখেছিলাম ( স্বৈরতন্ত্র হচ্ছে কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বেচ্ছাচারিতা, যিনি সে দেশের জনগণ, সংবিধান, আইনের রীতিনীতি অগ্রহ্য করে একক ভাবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন, এবং তার একক নির্দেশনায় দেশকে শাসন করে তাকে স্বৈরচারিতা বলা হয়। যখন রাষ্ট্রে এক ব্যক্তির ক্ষমতার মাধ্যমে সকল কাজ সম্পন্ন হয় তাই স্বৈরশাসন)কেনো জানি মনে হচ্ছিল  বর্তমান আমাদের দেশটা স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার সাথে মিলে যাচ্ছে। তাই আমরা আগ্রহ জন্মায় স্বৈরাচারের নীতিমালা গঠন ও তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে জানার। তারই ধারাবাহিকতায় আজ প্রায় সারাদিনই নেট ঘেঁটে দেখছিলাম দুনিয়াজুড়ে কিভাবে, কোন প্রেক্ষিতে স্বৈরাচারের লক্ষণগুলো প্রকট হতে শুরু করে। প্রায় সব গবেষ...

উন্নয়নের জোয়ারে ধ্বংসের পথে স্বদেশ

লিখছিলাম:রেজাউল হক,ব্লগার   ২০২১সালে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার এ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে অনেক দূর এগিয়েছে পিছনের তুলনায়  এটা সত্যি  কিন্তু বাড়তি কোনো সুবিধা আসছে কি সাধারণ মানুষের জীবন যাপনে , বন্ধ হয়েছে কি দুর্নীতি, জাতি হিসেবে কি আমরা হয়ে উঠেছে সভ্য? একটা বিশাল জনগোষ্ঠীকে পরিবর্তন করতে না পারলে দেশের উন্নতি আশা করাটা কতটা বোকামো ? সরকারের মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার চেষ্টাতে সাধারণ মানুষের জীবন যাপন নিয়ে কতটা ভাবছে সরকার, আদৌ কি ভাবছে গরীব দুঃখী মানুষের কথা,এমন প্রশ্ন উঁকি দেই আমার মনে। উন্নয়নের প্রচণ্ড ডামাডোল বাজছে চতুর্দিকে। দেশের শাসকগোষ্ঠী তারস্বরে ঘোষণা করছেন আমাদের দেশ সহসা নাকি শুধু এশিয়ার নয়, বিশ্বের রোল মডেল হতে যাচ্ছে। আমরা নাকি সহসা কানাডা, ফ্রান্সকেও ছাড়িয়ে যাব। আমাদের দেশ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত হয়েছে। ব্যাংক বীমা অফিস আদালতে আমরা দেদারসে ইন্টারনেট, কম্পিউটার,ব্যবহার করছি। হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে আমরা মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিক্ষেপ করেছি। আমাদের বার্ষিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শণৈঃ শণৈঃ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক...

গোল্ডেনের চাপে আমাদের শিশুরা

 আসলে ছেলেমেয়েদের, বিশেষত শিশু, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে অধ্যয়নরতদের জন্য স্কুলব্যাগ নিয়ে স্কুলে যাওয়া আনন্দের ব্যাপারই বটে। কিন্তু সেটা আর আনন্দময় থাকে না কতিপয় বিদ্যালোভী অভিভাবক ও স্কুল কর্তৃপক্ষের কারণে। তারা সকল শিশুকেই ‘আইনস্টাইন’ বানাতে চায়। ফলে বিদ্যাশিক্ষা শিশুর স্বভাব ধ্বংসকারী বোঝা হয়ে ওঠে। স্কুলব্যাগের বোঝাকে কেবল শারীরিক ক্লেশ দিয়ে বুঝালেই চলবে না। ওজনদার পাঠ্যবইয়ের বোঝা কেবল বহন করা নয়, পড়তেও হয়; বাড়িতে ফিরে ঘাড়মুখ গুঁজে একগাদা হোমওয়ার্কও করতে হয়। অর্থাত্, শুষ্কজ্ঞানের বোঝাও তাদের বয়ে চলতে হয়। ফলে জগিবিচ্ছিন্ন কলুর বলদের মতো তারা শারীরিক ও মানসিক উভয়বিধ যন্ত্রণাতেই কাতর হতে থাকে। পরিণতিতে, বড় হয়েও তারা বহির্জগতে একা চলতে অক্ষম থেকে যায়। এরূপ কৃত্রিম জ্ঞানবিদ্যাচর্চা নিয়ে সারাবিশ্বে সমালোচনা চলছে। ইউরোপে আজকাল কৃত্রিম স্কুলের বিপরীতে প্রাকৃতিক স্কুল ধারণা ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আশার কথা হলো, বইয়ের বোঝা কমাতে সরকার নানাআইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে চললেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। ঠিক “কাজীর গরু কাগজে আছে গোয়ালে নেই” এর মতো অবস্থা।অর্থ্যাত মাঠ পর্যায়ে নেই সেই আইনের কোন বাস্ত...

নিহত আবরারের ফেসবুক প্রোফাইলেই লেখা ‘নিরাপদ সড়ক চাই’

ছবি
 যে নিরাপদ সড়কের দাবিতে সোচ্চার ছিলেন আবরার সেই সড়কেই প্রাণ গেল তার। নিজের জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেলেন বাংলাদেশের সড়কগুলো এখনও নিরাপদ নয়। আর কতো আবরারে প্রাণ গেলে সড়ক নিরাপদ হবে-সবার মধ্যে এখন এমন প্রশ্নই।  গত বছর রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী বাসচাপায় নিহত হওয়ার পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা।  সেই আন্দোলনে সক্রিয় থেকে নিরাপদ সড়কের দাবি জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) আন্তর্জাতিক বিভাগের ছাত্র আবরার আহমেদ চৌধুরী।  মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর নর্দ্দায় সড়কেই বাসচাপায় মারা গেলেন এই তরুণ।নিরাপদ সড়কের দাবিতে গত বছরের ২৯ জুলাই আন্দোলন শুরু হয়। রাস্তায় নেমে আসেন সারাদেশের শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায়ে সড়ক অবরোধ, এক পর্যায়ে যান চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরাতে কাজ শুরু করেন তারা। ওই আন্দোলন চলাকালে ২ আগস্ট আবরার তার ফেসবুক প্রোফাইলে নিজের ছবি প্রকাশ করেন। যার নিচে লিখা ছিল ‘নিরাপদ সড়ক চাই’। বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের শিক্ষার্থী ও আবরারের বন্ধু নাজমুস সাকিব বলেন, ‘আবরারও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে ...