পোস্টগুলি

আওয়ামী লীগের কাছে সদুত্তর আছে বলে মনে হয় না!

 স্বাধীনতার পর থেকে আমরা দেখে এসেছি ক্ষমতায় থাকুক আর বিরোধী দলে থাকুক, আওয়ামী লীগ বরাবর রাজনীতিতে চালকের আসনে ছিল। স্বাধীনতার পর পৌনে চার বছর ক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগ। পঁচাত্তরে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর একুশ বছর বিরোধী দলে ছিল। কিন্তু রাজনীতি ছিল তার নিয়ন্ত্রণে। বিরোধী দলে থাকা আওয়ামী লীগ প্রায় প্রতিটি সরকারের ঘুম হারাম করেছে রাজপথে আন্দোলন–সংগ্রাম করে। এর প্রধান কারণ দলটি গণমানুষের আশা–আকাঙ্ক্ষা, দাবিদাওয়ার বিষয়টি সামনে নিয়ে আসত। দ্বিতীয়, তৃতীয়, পঞ্চম ও অষ্টম জাতীয় সংসদের কার্যবিবরণী দেখলেই এর প্রমাণ পাওয়া যাবে। রাজপথের আন্দোলনে তো ছিলই। সপ্তম, নবম, দশম জাতীয় সংসদের মেয়াদে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল। ফলে সংসদে ও সংসদের বাইরে তাদের একচ্ছত্র প্রভাব ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলো একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাজনীতির ওপর আওয়ামী লীগের সেই নিয়ন্ত্রণ অনেকটা নড়বড়ে হয়ে গেছে। সরকার ও আওয়ামী লীগ এক নয়। সরকার চলে প্রশাসন, আমলা, র‍্যাব, বিজিবি, পুলিশ ইত্যাদি নিয়ে। আর দল চলে নেতা–কর্মীদের নিয়ে। ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগই ক্ষমতায় ছিল, নির্বাচনের পরেও ক্ষমতায় আছে। এই দলের কোনো কোনো নেতা বড়া...

দুর্নীতির কারণে বন্ধ রাস্তার কাজ!

ছবি
 ২০১৫ পর গ্রামের বাড়িতে আর তেমন যাওয়া হয়না ছোটবেলার স্মৃতি অনেক বন্ধু-বান্ধব এখন কেবল অতীতের স্মৃতি মাত্র। তবে প্রায় শুনতে পেতাম গ্রামের রাস্তার নাকি বেহাল অবস্থা ২০২০  সালের শুরুতে বেশ কয়েকবার যেতে হয়েছে গ্রামের বাড়িতে। রাস্তার ভোগান্তি বাড়ি ফেরার আনন্দ যেন মাটি করে দেয়। আমি তো মাত্র একদিন আর দুদিন সপ্তাহে যেতাম কিন্তু যারা প্রতিনিয়ত এই রাস্তায় চলাফেরা করেন তাদের অবস্থা কেমন হতে পারে? কিন্তু আমার মনে প্রশ্ন সরকার এতদিন ধরে এই রাস্তা সংস্কারের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না কেন? গ্রামের চেয়ারম্যান মেম্বার তারা কতটুকু চেষ্টা করছেন রাস্তার কাজের জন্য? সংস্কারের অভাবে বেহাল চন্ডিপুল থেকে জালালপুর এর গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি। লালাবাজার থেকে ৯নং ওয়ার্ডের ভিতর দিয়ে  জালালপুর বাজারে দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার রাস্তাটি চরম বেহাল দশা। গোটা রাস্তায় পিচের আস্তরণ উঠে অংসখ্য খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক বর্ষণে ওই সব গর্তে জল জমে প্রায় ডোবায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। যাতায়াত করাই দুষ্কর। ছবি:নিজ  সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের চন্ডিপুল থেকে বামে যে সড়কটি সেটিই সিলেট-সুলত...

ভিক্ষার অন্তরালে ব্যবসা!

ছবি
রাস্তাঘাটে বের হলে আপনাদের চোখের সামনে পড়বে হাজারো পথশিশু ভিক্ষা পেশা বেছে নিয়েছে। তবে এই শিশুগুলোর পিছনে লুকিয়ে থাকে অচেনা কিছু দৃশ্য, অজানা কিছু গল্প। ধর্মীয় আর সামাজিকভাবে ভিক্ষাবৃত্তিকে ঘৃণার চোখে দেখা হই বলেই এখন ভিক্ষুকেরা শিশুদেরকে  ভিক্ষার কাজে ব্যবহার করছে। অর্থাৎ শিশুকে পুঁজি করে চলছে এ ভিক্ষার কাজ। কিন্তু কেন এবং কিভাবে এই শিশুগুলো এই পেশার সাথে জড়িয়ে পড়ছে? কার নৈপথ্যে চলে এমন কারসাজি? ছবিঃইন্টারনেট সংসার আর শারীরিক শক্তির অভাব থাকলে কি মুক্তির একমাত্র পন্থা এই ভিক্ষা পেশা। নাকি অন্যকিছু? সরকারতো এসব ভিক্ষুকদের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। সেই প্রকল্প কি আদৌ বাস্তবায়ন হয়েছে? ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করতে ভিক্ষুক জরিপ এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান নামের একটি প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। নয় জেলার মধ্যে ৪ জেলার ৫০০ জন করে মোট ২০০০ জনের পুনর্বাসন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয় সরকার। পরবর্তীতে যমুনা টিভির এক বিবৃতিতে  ভিক্ষুক পুনর্বাসন প্রকল্প কর্মসূচির পরিচালক সৈয়দা ফের...

নিপীড়নের নতুন ফাঁদ মহামারী !

ছবি
  সুত্রঃ ইন্টারনেট কোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে দমনপীড়ন ও ভুয়া তথ্য বেড়ে চলেছে সমানতালে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার এই উদ্বেগের মধ্যে আছে যে, মহামারির সময়ে রোগ ও এর প্রতিকার সম্পর্কে ক্ষতিকর ভুল তথ্য ছড়িয়ে এটি প্রতিরোধের উদ্যোগকে ব্যহত করার সুযোগ নিতে পারে কেউ কেউ। তাদের এই উদ্বেগের যথার্থতাও রয়েছে।কিন্তু, কিছু সরকার নিজেরাই বরং এই মুহূর্তটিকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে। পরিস্থিতি সম্পর্কিত যেসব তথ্য সরকারের জন্য অসুবিধাজনক সেগুলো দমন করা কিংবা সমালোচকদের ওপর নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের উপলক্ষ হিসেবে বর্তমান সময়টিকে কাজে লাগাচ্ছে এসব সরকার। প্রায় দুই মাস নিখোঁজ থাকার পর সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজল বেনাপোল বন্দর থানা পুলিশের হেফাজতে আছেন বলে আজ রবিবার গণমাধ্যমকে জানিয়েছে পুলিশ। এটি নিঃসন্দেহে স্বস্তির বিষয় যে কাজল জীবিত আছেন এবং পুলিশের হেফাজতে আছেন।   বাংলাদেশে যখন কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই মানুষ মারা যাচ্ছেন এমন পরিস্থিতিতে কাজলের ১১ বছর বয়সী মেয়ে ও ২০ বছর বয়সী ছেলে তাদের বাবার শুধু নিরাপত্তার কথা ভেবে উদ্বিগ্ন নয়, তার শারীরিক সুস্থতা নিয়েও তারা বিচলিত।ফ...

অর্থের কাছে হার মানে সম্পর্ক!

 আমাদের আশপাশে নানান ধরনের মানুষ বসবাস করে। সবার মধ্যেই রয়েছে হিংসা, ভালোবাসা, প্রেম কিংবা রাগ-ক্ষোভ।প্রকৃত অর্থে, মতবিরোধ বা দ্বন্দ্ব নয় বরং নীরবতা বা চাটুকারিতা বা খোশামোদ সম্পর্ক নষ্ট করে ফেলে। সম্পর্ক নষ্টের আরেকটি প্রধান কারণ হলো অর্থ।অর্থই মানুষের সম্পর্কের ফাটল ধরায়। মানুষ টাকার পিছনে ছুটতে গিয়ে অনেক সময় সম্পর্কের তোয়াক্কা করে না। এসব কারনে অর্থের দূরত্ব,রক্তের দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়। আমাদের শৈশবকাল টা যেন জীবনের সবচেয়ে ভালো সময়। তখন আমরা খেলাধুলা পড়াশোনা আর সবার ভালোবাসার মধ্যেই থাকি। ভাই বোনদের খুনসুটি মা-বাবার বকাঝকা এটাই যেন থাকে জীবনের আনন্দ। কিন্তু  বড় হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ভাই বোনের সম্পর্ক আর ভাই বোনের সম্পর্ক থাকে না। তখন যতোটুকু সম্পর্ক থাকে তা শুধুই সম্পদের। বয়স বাড়তে থাকলে যেমন জীবনে আনন্দগুলো অনুভূতিগুলো বদলাতে থাকে তেমনি সম্পর্কের মধ্যেও যেন অন্যরকম একটা অনুভূতি চলে আসে।বয়স বাড়ার সাথে সাথে মনে হয় সম্পর্কের দূরত্ব বেড়ে যায়। একটা সময় এই সম্পর্কগুলো পরিমাপ করা হয় অর্থের মাপকাঠিতে। মুখোমুখি হতে হয় কঠিন বাস্তবতার। সম্পর্ক নষ্টের অন্যতম কারণ ইগো বা...

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে মৌলিক অধিকার হরণ

ছবি
 আজ মহাবিশ্ব করোনা ভাইরাস নামক এক বৈশ্বিক মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে বিশ্ব মানব সমাজ আজ এক অকল্পনীয় মহাবিপর্যের মুখোমুখিতে।  আর যেন লক্ষ লক্ষ মানুষ নিতান্ত অসহায়ের মত প্রাণ বিসর্জন দিচ্ছে। বিশ্বের মহা শক্তিধর উন্নত দেশগুলো অদৃশ্য এ অনুজীবের আক্রমণের কাছে নাকানি-চুবানি খাচ্ছে।সারা বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে চার লক্ষ ছুঁই ছুঁই করছে।আক্রান্তের সংখ্যাও প্রায় অর্ধকোটি ছাড়িয়েছে। প্রথম যখন চীনে এই ভাইরাস আক্রমণ করে, তার ভয়াবহতা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হুশিয়ারী উচ্চারণ করে তখন আমাদের সরকারের কর্তা ব্যক্তিরা এটা নিয়ে রীতিমত মশকারা করে-আমরা করোনার ছেয়ে শক্তিশালী, করোনা আমাদের কিছুই করতে পারবেনা-ইত্যাদি বালখিল্য বক্তব্যের মাধ্যমে বিষয়টি তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে তুলে। পর্যাপ্ত সময় হাতে থাকা শর্তেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি না নিয়ে-আমাদের সরকার বাহাদুর বলতে থাকেন-আমরা প্রস্তুত। দেখা যাক প্রস্তুতির নমুনা। যখন আমাদের উপর আক্রমণ আসল-তখনি আমরা দেখতে পাচ্ছি-চিকিৎসা কোন বালাইষাট, করোনা পরীক্ষা করার প্রস্তুতিও আমাদের ছিল না। এ কেমন প্রস্তুতি? আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা যে কত নাজুক, তা করোনাক্রান্ত রোগীদে...

সেবাই নাকি পুলিশের ধর্ম???

ছবি
 বাঘে ছুঁলে আঠারো আর পুলিশে ছুঁলে ৩৬  ঘা একথা আমরা ভুলে যাই নি। ভুলে যায়নি এ কারণে যে আমাদের সমাজে ক্ষণে ক্ষণে কেউ না কেউ আমি নই তো আপনি প্রতিনিয়ত পুলিশের হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছি ।এটি আর এখন প্রবাদ নয় বাস্তবতা নির্মম বড়ই কঠিন।  পুলিশের কাজ দেশকে মানুষকে নিরাপত্তা দেয়া । মানুষ আইন শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে সে গুলোকে আইনের আওতায় এনে বিচার কার্য করা। এগুলো ঠিক হচ্ছে পুলিশের দায়িত্ব পালন করছে কিন্তু বাংলাদেশ নয়। উন্নত বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা পুলিশের কর্মকান্ড গুলোতে এমনই দেখতে পায় তারা মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানুষকে সাহায্য করা এবং মানুষের জন্য কাজ করে যায় এবং দেশ এবং মানুষকে নিরাপত্তা দেয় শত্রু থেকে মুক্ত রাখে ।কেউ আইন ভঙ্গ করলে তাদের সাথে সাথেই আইনের আওতায় এনে শাস্তি সবার জন্য অনিবার্য মন্ত্রী বা নিম্ন স্তরের মানুষের জন্য তা নিশ্চিত করে। সেদিন মদিনা মার্কেট পয়েন্ট থেকে গাড়িতে উঠে কাজিরবাজার সেতুর উদ্দেশ্যে রওনা হলাম পথিমধ্যে রিকাবী বাজার পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশ গাড়িতে সিগন্যাল দিল ড্রাইভার রাস্তার পাশে গাড়িটি পার্কিং করল। এবার পুলিশ কাছে এসে গ...